
(১)দয়াল
বাতাসে ফাতেহা শুনি
রিনিঝিনি কাঁপে
খাদেজার ঢেউটিন
রোদের ভিতর অপার
হয়ে বসে আছে সুরেলা
আয়াতখানি।
তার কথায়—
এক ঘাটে কাবা হই
একই গুহার পেটে
অন্য কলমে লিখি—
দয়াল
আমার একমাত্র সই!
______
২) ভাষা
ঐশী ভাষা শুনে লিখি—
বাস্তবের ঘরবাড়ি
নৌকার ঠিকানা।
ঘুপচি ঘরের আলো
এতটুকু পরোয়া না করে
হিসেবের মেঘ হয়ে ওড়ে।
ডান হাতে লিখে রাখি —
মানিক ব্যানার্জি।
ইতিহাস বেচে
কথা নিভে আসে
কালি চায় ভাষা।
______
৩)ঈদ
ঈদের দিনে
মায়ের কথা মনে পড়ে—
মা যে কখন
কার ডিহি থেকে
গাঁ-ঘর পেরিয়ে
কোথায় থাকে এখন!
সেসব ভাবতে গিয়ে
উজানতলীর
আলোছায়া মাখি—
আমি তার
চাল ধোয়া পানির ইচ্ছে,
মুখ দেখা আয়নার খনি নিয়ে
ঈদের নামাজে
কাযা হয়ে গেছি।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,