
শিরোনামহীন - ১
দূর থেকে তাকিয়ে আছো প্রিয় মানুষেরা
হেসে যাচ্ছো দীর্ঘ প্রহর
হেসে যাও, হাসতে হাসতে উপহাস করো আমায় নিয়ে,
জানি কাছে আসবে না তোমরা আর !
আমিও তো এগিয়ে যাবো না তোমাদের কাছে,
শুধু দূর থেকে তাকিয়ে থাকবো...
তোমাদের ডুবে যাওয়া দেখবো,
তোমরাও দেখবে আমার ডুবে যাওয়া।
____________________
শিরোনামহীন - ২
নিশ্চুপ হয়ে বসে আছো প্রিয় মানুষের দল
নাকি তোমরা হারিয়ে ফেলেছো নিজেদের ঘুম ?
কাছে এসো না তোমরা আর
আমি ক্রমস পাথর হয়ে যাচ্ছি !
তবুও হেঁটে চলছি, স্নান করছি
প্রতিনিয়ত নিজেকে নিজেই ভেঙ্গে গুঁড়ো করার চেষ্টা চালাচ্ছি।
_________________
শিরোনামহীন - ৩
নদীর সাথে কথা হয়না আজকাল
গাছেরা তো কবেই ঘুমিয়ে পড়েছে,
তবে কেন আমি ভাববো পাখিদের কথা, বুক জুড়ে জমে থাকা জলেদের কথা,
সময় ভেসে যায় শুধু...
রাত্রি নেমে এলে আমি জলেদের লিপিবদ্ধ করতে থাকি রাতের মায়ায়,
নিশিযাপন ক্ষীণ হয়ে আসে
বসে বসে প্রহর গুনি অপেক্ষার...
জমে থাকা জল থেকে কবিতা জন্ম দেখবো বলে,
জমে থাকা জল থেকে এক একটি মানুষ জন্ম দেখবো বলে।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,