
মনে পড়ছে তোমাকে।
ভূমিকম্পের শেষে ধ্বংসস্তূপ থেকে ---
যে হাত টা বাড়িয়ে ছিলে।
সেটা চাপা পড়ে গেছে ,
জরাজীর্ণ পুরোনো সভ্যতার অবশেষে।
জীবন্ত দেহ গুলো ,
মরণ যন্ত্রণা সয়ে সয়ে আজকের লাশ।
দূরে আকাশে ----- এক ঝাঁক শকুন।
অনেক খাবার। চারিদিকে উত্তেজনা।
খুবলে খুবলে খাচ্ছে ভবিষ্যতকে।
চিরনিদ্রায় শায়িত ভালোবাসার ---
কোনো স্মৃতি রোমন্থন এর অবকাশ না রেখে।
অশরীরী অট্টহাসি ,
আর নিস্তব্ধতা।
গভীর রাত।
তবু মনে পড়ে তোমাকে।
তোমার ছোঁয়ার উত্তেজনা,
মিলিয়ে গেছে জ্বলন্ত চিতার ধোঁয়াতে।
কুণ্ডলী পাকিয়ে পাকিয়ে ,
বাতাসে মিশে যাচ্ছে সব চাহিদা।
বেঁচে থাকে , থেঁতলে পড়া স্মৃতি।
আর শরীর জুড়ে শুধু রয়ে যায়
পুড়ে যাওয়ার ক্ষত চিহ্ন।।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,