
অবগাহন
আরণ্যক জলধারায় সজীবতা পেয়ে যায়
ওরা।বাইসন হাতি হরিণ চিতা আর পাখপাখালির
দল--গাছেদের ডেকে কথা বলে নিরন্তর।বন্য
মোরগ আর হিংস্র শুয়োর--কেউ বাদ যায় না।
আমলকী হরিতকী বহেরা সেগুন শালের সাথেই
শিরীষ গামার আর সবুজ চায়ের দেশ,
সবুজ কার্পেটে মোড়া ডুয়ার্স রানির এই
দেশে ধনেশের আমন্ত্রণে ময়ূরের নাচের
ছন্দে মন পড়ে থাকে জৈন্তি লেপচাখা
রাজাভাতখাওয়াতে। অরণ্যের
অগোচরে মাদলে 'ধান তুং তুং ধাকিনি গিজা'য়
তিনি সেজে ওঠেন, করমপুজোয় নদীনালা বৃক্ষলতা
সেজে ওঠে, এসো বারবার অবগাহন করি
রায়ডাক সংকোষ তিস্তার জলে
_________________________
মুখোশ ও অভিনয়
তুমি বলে থাকো মুখোশ না পরলে
মানুষ কীসের
বা প্রতি পলে পলে
অভিনয় সবাইকে করতেই হবে
মুখোশ আর অভিনয় নিয়েই টিকটিকি-মানুষের
জীবন
টিকটিকির মতো সাবধানী - যেন
একটুকরো ছেঁড়া রুটি কখনও পড়ে থাকে – চুপচাপ দ্যাখে,
মানুষ অমনোযোগী হলে টুক করে তুলে নিয়ে যায়
লক্ষ্য ব্যর্থ হলে বিষাদ সাগর থেকে তীরে তীরে
নুন জমে
অ্যাজেন্ডা দেখে দেখে পা ফেলছ। সিগারেটে আগুন দেওয়ার আগে চোখ ঘোরাচ্ছ
এক বুক
ধোঁয়া ছেড়ে কখনও বিনয়ী হয়ে অভিনয় অর্থাৎ
মুখোশের আশ্রয় নিচ্ছ
অভিনয়ও বটে
আসলে
এভি নয়
ওভি নয়
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,