
সন্দেহ
প্রতিদিন
সকাল-বিকাল ঝাড়পোঁছ
ছাই দিয়ে ভিমসাবান দিয়ে
ঘস্টে ঘস্টে
ঝকঝকে তকতকে রাখতে হয় কাঁচ
এক ফোঁটা দাগ বা চিড়
চোখে পড়ে বড্ড
সম্পর্ক রঙের কাঁচ বড্ড ঠুনকো
মন বারবার কু গায়
আশপাশে ভুত ভুত গন্ধ
হয়তো দেরি হলো হয়তো একা
নতুবা হেসে দিয়েছে স্মার্ট এর উত্তরে
কেন কেন
এই পোকা দংশাতে থাকে অবিরত
অসহ্য হয়ে ওঠে প্রিয় হাসি প্রিয় খুনসুটি
শরীর থেকে মালিকানা খুলে
ভাসিয়ে দি রেড রোডে
ধুয়ে মুছে চলে যায় সমস্ত সন্দেহ
_____________________________
লোভী
লাভ ও লোভ যমজ
জীবন একটা লোভী
লাভের খোঁজে
লোভী জীবন বারবার
চিত্র-বিচিত্র মিথ্যে আর হিংসা দিয়ে
শুঁকে শুঁকে বেড়ায় শরীর
নানা রঙের অভিনয় করতে করতে
ড্রিবলিং করতে করতে
পৌঁছে যায় লাভের আড়তে
রক্তাক্ত লোভী হাত রঙিন লাভের খোসা
ছাড়াতে ছাড়াতে দেখে
শূণ্য এ জীবন।
_________________________
জীবন যাপন
পরপর ছ'বোন
পরের পাতায় ভাই
ভাইয়ের নাম রবিবার
মায়ে-ঝিয়ে চরম বর্ষা
বাবা হলেন চন্ডাল গ্রীষ্ম
প্রেমিকা হলো
লেপ রঙের শীতকাল
শরৎ হেমন্ত পড়শি যেমন
বরের নাম বসন্ত
এই আমাদের জীবন যাপন।।
_______________________
ও জীবন রে..
সিকিমের সিঁথি থেকে
শরীরে নদী জড়িয়ে
দিলো ছু ট. . .
অমরত্ব পায়ে ঠেলে
মাটি ও আগুনের মায়াকে
বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে
জীবন বলে চল পানসি
পথে পায়ের সঙ্গে পড়শি পাথরের দেখা
পায়ে পায়ে পাড়াতুতো ঝগড়া
জীবনকে পায়ে নিয়ে গড়াতে গড়াতে
নানা রঙের তরলের সাথে চোখাচোখি
তরল তরুলতা হয়ে লতিয়ে লতিয়ে
এ জীবন থেকে ও জীবন
পা্হাড়ি জীবনের বাহুডোরে সামুদ্রিক জীবন
মাঝে দাঁড়িয়ে হাসতে থাকে জঙ্গল জীবন।।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,