২৯ নভেম্বর, ২০২৫
ফয়জল অমির তিনটি কবিতা
ফয়জল অমির তিনটি কবিতা

 

খোলোস

 

 

সূর্যের ফাঁসির পর

সব বিদঘুটে অন্ধকার।

 

 

চেয়ে থাকি জানালার প্রতিটা ভাঁজে

কখন পুড়ছে সকাল

কখন পুড়ছে রাত

 

 

পুরনো আবাস ছেড়ে

জোনাকিরাও চলে গেল,

 

 

চোখের সামনে যখন হত্যা করলো

প্রেম

নিশ্চুপ,নিশব্দ সময়।

কত কিছু বলার ছিল..

 

 

কত আবরণ

 

কত বাহানা,কত প্রার্থনা নিয়ে

 

বেঁচে থাকার চেষ্টায় মানুষ

 

 

 

 

প্রকৃতি তার বদলা নেয়,

 

জীবিত দাফন করে!

 

আমার কফিনে কয়টা পেরেক প্রয়োজন?

____________

 

বাহন

 

 

দেরি হয়ে গিয়েছে,

 

 

পবিত্র বৃষ্টিতে বেড়ে ওঠা বিষাক্ত গাছ

 

প্লাবিত জোঁকেরা আশ্রয় নিতে ব্যাস্ত।

 

 

এ শহরে জন্মেছি,শিখেছি-

 

কাদা আর ধুলোয় বাঁধা সকল প্রাণ

 

ডাকছে,

 

স্বার্থ আদায়ে।

 

উচ্চারিত কিছু শব্দ

 

ফেলে আসা শৈশব আকড়ে ধরে রাখতে চায়।

 

সময় জ্বলছে বেদনা পুড়িয়ে।

 

 

মৃত্যুদূত চৌকাঠে দাঁড়িয়ে

 

লিখতে বসেছি ,

সময় ফুড়িয়ে এলো জীবনের।

 

 

_____________________

 

 

মানবী

 

 

 

সব সত্য অস্বীকার করে যখন বাঁচতে গেলাম-

 

চোরাবালির শোক,

 

হেসে খেলেই পারি দিয়ে ফেললাম।

 

 

সমুদ্রের সাথে যার মিলিত হবার কথা,

পথ ভুলে চলে গেল বহুদূর।

 

 

স্বপ্ন ছিল-

 

এক চোখে অসমাপ্ত জলরাশি,

আরেক চোখে আমাকে রাখার।

 

 

নতুন উড়তে শিখলো

বেপরোয়া এক ঝাঁক পাখি

পালক জুড়ে রক্ত নিয়ে।

 

 

কোনো আদান-প্রদান করছে না কেউ

ভালোবাসার।

করুণ পথ ধরে বয়ে চলছে আশ্রু,

কেউ দেখেনি সে রাতে কি হয়েছিলো।

 

 

দেখতে এসো,

গোটা ঘরজুড়ে কি পরিমাণ হাহাকার আর আর্তনাদ।

 

 

আমি এমনই,

কাছে টেনো না-

 

 

ভেতরটা পুড়ায়ে চলছে নির্লিপ্ত

প্রাণ।

সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
ওয়াহিদার হোসেন

কয়েকটি কবিতা

সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

কবিতা৭ মে, ২০২৪
দুটি কবিতা
জ্যোতির্ময় বিশ্বাস

দুটি কবিতা

একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

কবিতা৭ মে, ২০২৪
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
শ্রী সদ্যোজাত

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......

ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,

কবিতা৭ মে, ২০২৪