
নাভির ওপর দিয়ে হেঁটে যায়
অদৃশ্য ঘূর্ণিবাতাস—
তার পায়ের শব্দে হঠাৎ
পিপীলিকার বুক উজাড় হয়,
দু’একটা অণু হিম হয়ে পড়ে।
কোঁচড় ভরা কেঁচো নিয়ে
একটি বুনো হাঁস
মুগ্ধ হয়ে তাকায় নিরালোক খাদের দিকে,
যেখানে আলো শব্দটা
আজ একটু খুঁড়িয়ে হাঁটে।
শূন্য বলতেই
বুকের ভেতর থেকে উঠে আসে খরগোশ,
তার কানজোড়া
বাষ্পে ভিজে উঠে
ঘ্রাণ নেয় দূরের ভাঙা রোদের।
অদৃশ্য ঘূর্ণিবাতাস থেমে গেলে
বাজ পড়ে শুধু স্মৃতির গর্ভে—
সেই আঁচে জেগে ওঠে
একটা অসমাপ্ত নদী,
যে নদী দিনরাত
শুধু ভুলের মানচিত্র গড়ে।
বস্তুত, ঝড় নয়,
একটা ক্ষুদ্র গুঞ্জন
উড়িয়ে নেয় বালুচরের চিটচিটে দুঃখ,
কিছু পাকহাওয়া,
আর অকারণ নীল কাচের ভাঙা টুকরো—
তবুও আমি বলি,
ওই ভুলের মানচিত্রটাই এবার
পুড়িয়ে দাও
খসখসে কোরাসে।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,