
কার অঙ্গে কে যে ফুটে আছে
কে যে আজ সকাম ফুলের সোনালিতা !
এই জংশনে
ভালবাসার টোকেনগুলি
রুহ্-রুহানির
শবদেহে
আমাদের প্রবেশ ও প্রস্থানগুলি
রাত পাহারা দেয়
আর
চাঁদ পাহারা দেয়
সেইসব মরে আসা রঙের ফিকে
সেইসব ছায়া ছায়া একার জল রঙ
গোধূলি গ্লাসে
ঢেলে দেয়
ছড়ানো শরীরে শব্দের কিমা
রাত পাহারা দেয়
আর
চাঁদ পাহারা দেয়
একটি দেহের সমাধি প্রবাহ
একটি প্রাণের মুচড়ে ওঠা ধূম
তাক লাগা তুমুলে। তুমুল।
কিছু অলিখিত বুদবুদ-৯
শরীরের ভেতর জমা হচ্ছে
তীব্র তরল ঝাঁঝ
মাথার ভেতর জমা হচ্ছে
লাল হরফের দেশ
রক্তবিন্দুর একরকম সহাস্য
ঝরে পড়ছে মেঝেয়
ঘোড়াদের প্রবাহে ঘনত্বে
সে ভাবছে এখনই
জ্বলে উঠুক
খঞ্জর প্রতিভা
যে কাজের যা
তা সমাসন্ন
যে কাজের ছুরিকা তা তুরীয়
মহীনের ভেতর জমা হচ্ছে
ঘোড়াগুলি
কফিনগুলি
বনতলে জমা হচ্ছে মাংসময় সুষমা তার হাড়গোড়
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,