৭ মে, ২০২৬
কবিগুরুর স্মরণে

হিয়ার মাঝে ধরী তাঁরে,
কখনও বা প্রতীক্ষায়।
একরাত্রি কেটে যায়–
রাজপথের কথায়।।
বৃক্ষ, কত তরুতল,
পাহাড় কিংবা সমতল।
সমুদ্রের শত শত ঢেউ –
সঙ্গে কত সৃষ্টি তাঁর।।
অব্রহ্মাণ-ব্রাহ্মণ কত!
কত জাতি-ধর্ম।
সমালোচনার জোয়ার কত –
কত শত ভক্ত।।
ভেঙে সব বেড়াজাল,
সঙ্গে ছিল অচলায়তন।
রক্ত করবীর লোহিত শোভা –
“সাতাশ নম্বর মাখন বড়ালে” না ফেরার কথা।
সুরে গানে কবিতায়,
ছন্দ ভরা নৃত্যতে।
শান্তি ভরা স্নিগ্ধতায় –
শান্তিনিকেতন আজও তাই।।
বিশ্ব ভরা সৃষ্টি যাঁর,
স্বল্প ভাষায় অব্যক্ত।
বিশ্ব কি নেহাৎ ছোট?
কবি তাই বিশ্ব শ্রেষ্ঠ।।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেন
কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?
কবিতা৭ মে, ২০২৪

জ্যোতির্ময় বিশ্বাস
দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব
কবিতা৭ মে, ২০২৪

শ্রী সদ্যোজাত
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,
কবিতা৭ মে, ২০২৪