৭ মে, ২০২৬
কবিতা
কবিতা

১।

জারজ লোকটি
অতীতে যাচ্ছে;
তার মা'কে
ধর্ষকের হাত
থেকে বাঁচাতে।

 

২।
স্বর্গের অপার্থিব সিঁড়ি দেখে
পঙ্গু লোকটি ফিরে যাচ্ছে তার
চিরায়ত হুইল চেয়ারটির কাছে।

 

৩।
অনেকেই পরিণত হলে পিঁপড়ে হয়ে যায়।
সংশয়, সঞ্চয়, ভয়
আসন্ন শীতকাল সবার অপেক্ষা করে না।
কেউকেউ শীতের উপর দাঁড়িয়ে আর শীতকাল দেখতে পায় না।

 

৪।

একমাত্র ঘুড়া'ই
লাফাতে লাফাতে
তার মৃত্যুর
দিকে যায়?

 

৫।

এক পাশে ক্ষুধা
অন্য পাশে অভাবের সংসার—
নিজের লাশের পাশে বসে
প্রেমের কবিতা লেখা যায় না।

৬।

বেকারত্বের ক্ষুধা নিয়ে খাবার টেবিলে বসে যখন দেখি;
বড় ভাইয়ের উপার্জনে কেনা মাছ ভাত খেয়ে মা দু-হাত তুলে দোয়া করছেন।
তখন আমার পেটের ক্ষুধা
বেকারত্বের ক্ষুধা একজোট হয়ে বলে উঠে;
শুধু উপার্জন নয় তুমি মায়ের দোয়া থেকেও বঞ্চিত।



৭।

মহাযুদ্ধ থামে যদি বিদায়ের শীতে—
অধরের কর্পোর ফেলে বাজাবো শানাই;
যজ্ঞের আনন্দ নিয়ে বলছি তোমায়—
ওয়াহিদের কবিতা পড়তে স্বাগত জানাই।

কবিতার যতো কাম যতো শোক ব্যথা—
নিরানন্দ জীবনে দেখি যত নিষ্পত্তি,
ওয়াহিদের কবিতা পড়লে বোধগম্য হবে—
নগন্যের কবিতাই তার মহা সম্পত্তি।

 

৮।

ঋণের দায়ে আত্মহত্যা করা লোক
মুসল্লীদের দিকে তাকিয়ে ভাবছে—
প্রার্থনার ঋণ কি করে শোধ করা যায়?

 

৯।

ক্লান্তি লাগছিল —
শরীরের সিঁড়ি দিয়ে নেমে দেখি
আমার সমাধি করতে লোক জড়ো হয়েছে,
তারা আমাকে মৃতঃ ভেবে
আমার শরীর
কবরে রাখতে যাচ্ছে।

 

১০।
আত্মহত্যা করতে গিয়ে মনে পড়লো তার
জন্মই হয়নি যেহেতু;
প্রয়োজন পড়েনি আত্মহত্যার।

 

১১।

জন্মমুহূর্তে চিৎকার করা শিশুটি
মূলতঃ বুঝাতে চেয়েছিলো
অন্ধকারের সাথে
বিচ্ছেদের যন্ত্রণাও তীব্র হয়।

 

সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
ওয়াহিদার হোসেন

কয়েকটি কবিতা

সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

কবিতা৭ মে, ২০২৪
দুটি কবিতা
জ্যোতির্ময় বিশ্বাস

দুটি কবিতা

একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

কবিতা৭ মে, ২০২৪
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
শ্রী সদ্যোজাত

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......

ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,

কবিতা৭ মে, ২০২৪