
ভাষা
যে ভাষায় পাহাড় চোখ মেলে তাকিয়ে থাকে মেঘাচ্ছন্ন আকাশের দিকে
যে ভাষায় জননীর গর্ভে শিশু প্রথম নাড়ীর টান চেনে
যে ভাষায় নগ্ন মনের সব অন্ধকার উন্মুক্ত হয় ঈশ্বরের আগে
সেই ভাষা আজকাল আমি বুঝতে পারি
যখন এক ধাপ এক ধাপ করে নিচে নামি
আমি নামার আগেই সে নেমে যায় তরঙ্গে তরঙ্গে
মেপে নেয় গভীরতা
তারপর আমাকে সতর্ক করে
আমি ঠোঁটে যতটা সম্ভব হাসি ধরে রেখে ভাঙা আয়নার সামনে দাঁড়াই
ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা করি নিজেরই মুখশ্রী
তারপর রক্তাক্ত মুঠোয় ভরে নিই ভাঙা আয়ুরেখা
_____________
আমি ও পৃথিবী
পৃথিবী একটু একটু ছোট হয়ে যায়
দেয়াল এগিয়ে আসে আরো একটু কাছে
খোলসের মধ্যে নিজেকে আরো একটু গুটিয়ে নিই
ভীষণ ইচ্ছে করে একটার পর একটা খোলস ভেঙে অস্তিত্বে লাগাই রোদ্দুর
কঠিন দেয়াল ভেদ করে পৃথিবীর ভিজে গন্ধে থেকে যাই কিছুটা কাল
ব্রহ্মাণ্ড ঝুঁকে আসুক পৃথিবীর আকাশে
আকাশগঙ্গার প্রতিটা নক্ষত্রে মিশুক পৃথিবীর ধুলো
আমার আপত্তি নেই কৃষ্ণগহ্বরে
আমার আপত্তি নেই বোবা অন্ধকারে
শুধু অন্তিম প্রশ্বাসে আমার পৃথিবীটাই চাই
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,