
নিষিদ্ধ ভ্রমণ
পূর্ণিমার আলোয় ঝলমল এক রহস্য,
আকাশ যেন নুয়ে পড়েছে তার কাছে।
নক্ষত্ররা কাঁপছে অদ্ভুত উত্তেজনায়,
গভীর রাত পুড়ে যাচ্ছে তার তাপে।
পাহাড়ি ঢালে ঝরনার মতো প্রবাহ,
অরণ্যের ছায়ায় ঢাকা অজানা পথ।
দিগন্তের কিনারে জমে থাকা রঙ,
অদেখা ভোরের মতো মাদকতা ছড়ায়।
সমুদ্রের ঢেউ দুলে ওঠে অবিরত,
স্রোতের ভেতরে জমে ওঠে উন্মাদনা।
অচেনা বনভূমি ডাকে নীরব আকর্ষণে,
সেখানে হারিয়ে যায় সমস্ত শ্বাসপ্রশ্বাস।
মাটির গভীরে টানে আগ্নেয়গিরির তাপ,
মেঘ ছুঁয়ে দেয় তৃষ্ণারত শূন্যতা।
দৃষ্টির প্রতিটি বাঁকে জন্ম নেয় কামনা,
যেন পৃথিবী থমকে আছে তার জন্যে।
ঘুম ভেঙে গেল, স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেল।
-------------------------
এক শান্ত ছবি
নদীর পাড়ে জল খেলছে মনের সাথে ,
হালকা ঢেউ গাইছে নীরব গান।
কারো জাল ছুঁড়ে দেওয়া, মাছ ধরার আশা,
পানি কাঁপিয়ে ছড়িয়ে যাচ্ছে স্বপ্নের সুর।
সবুজ মাঠে ছেলেরা খেলছে,
হাসি মিশিয়ে বাতাসে নাচছে আলো।
দূরে রাখাল গরু নিয়ে হাঁটছে,
নীরব পথে, সময়ের সাথে মিলিয়ে।
নদীর পাড়ে কয়েকজন বসে গল্প করছে,
শোনাচ্ছে মনছুঁয়ে যাওয়ার কথা।
ঘন বন নীরবে দাঁড়িয়ে পাহারায়,
আকাশ ধীরে ধীরে ম্লান হয়ে আসছে।
সব মিলিয়ে প্রকৃতির — এক শান্ত ছবি,
যেখানে শব্দও থেমে যায়, শুধু মন থাকে শ্বাসরোধ করে অনুভবের মাঝে
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,