
মহা ঋষি সেজে রবি সম তেজে
ওড়ালে বিজয় ধ্বজা,
প্রতি ক্ষণে ক্ষণে নিজে মনে প্রাণে
মানবে করেছো পূজা।
পল্লীর দ্বারে শত উৎসারে
পরকে করেছ আপন,
প্রজাদের আশা দিয়ে ভালোবাসা
সবারে কেড়েছ মন।
তোমার সৃষ্টি বৃষ্টির মতো
ঝরেছে জীবনভর,
সেই জল ধারে সমুদ্র পারে
মানবে বেঁধেছো ডোর।
বাঙালির কবি বাঁধিয়াছো ঘর
বিশ্বের আঙিনায়,
সুখ দুখ মেখে বিশ্ববাসী
তোমারি গান গায়।
তব ছায়া পায় দুই বাংলায়
কবিতা গল্প গানে,
মানব সমুদ্রে ডুব দিয়েছিলে
অমৃত সন্ধানে।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,