
দৃশ্য তৈরী হচ্ছে।মোমবাতির মিছিল ক্রমে পরিণত হচ্ছে বড় প্রতিবাদে।ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে।
সৈকতে দাঁড়িয়ে দেখছি ভাষাবদল।রদবদল।সব পালটে যাচ্ছে।ইতিহাস ক্রমে ক্রমে।
ভাষার ইতিহাস। ভাষা তো নদীর মতো। কত শত নালা সোঁতা এসে ঢুকে পড়ছে।সবার যাত্রাপথ একই। বাংলাও শক হুন মোগল ইংরেজ পর্তুগিজ আরবি ফার্সি এবং অতঃপর।
বাংলা ভাষার জার্নিটা অতটাও সহজ ছিলনা।বারংবার রাজনৈতিক ডামাডোল চাপানউতোরের ভেতর দিয়ে এগিয়ে এখানে এসে প্রস্ফুটিত।
আমরা নিজেরাও ভাষাকে আগলে ভাষাকে ভাষার জন্য কিছু করতে আগ্রহী হয়েছি।একুশের কথা মনে রেখে দু বাংলার বেশ কয়েকজন লেখক কবির সমাবেশে বাংলা ভাষার জন্য পাঠকদের জন্য কিছু করতে চেয়েছি।
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষাদিবসকে সামনে রেখে আমাদের ছোট্ট প্রয়াস সকলের গান।
সবার ভালোবাসা ভালোলাগা প্রশ্রয় পেয়েই চলেছি।এইতো পাথেয়।
বাংলার তরুণতম পাঠক লেখকদের জন্য অবারিত দ্বার হয়ে দীর্ঘজীবি হোক সকলের গান।এটাই প্রার্থনা।
জয়তু বাংলা ভাষা।জয়তু একুশ।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

আমার রবীন্দ্রনাথ
রবীন্দ্রনাথ হলেন জ্ঞান ও বোধ। তোমাদের আঁচলে কি ? কি বাঁধা আছে ? জ্ঞান ও বোধ বেঁধে রেখেছো কেন ? আঁচলে চাবি গোছা।তার সাথে রবীন্দ্রনাথ।সকল মায়ের আঁচলে বাঁধা।সন্তান ছুটতে ছুটতে চলে এল।চোখে ঘাম।মুখে ঘাম।পায়ে ধুলা।ছেলে মেয়ের পৃথক গামছা।গামছায় ছেলে মেয়ে পরিস্কার হল। মা ওদের তো রবীন্দ্রনাথ দিলে না ? রবীন্দ্রনাথ গামছায় নেই।রবী আছেন আঁচলে।

রঞ্জিত কথা - শঙ্খ ঘোষ
রবীন্দ্রনাথের ‘জীবনস্মৃতি-র সেই কথা মনে পড়ে –‘আমাদের ভিতরের এই চিত্রপটের দিকে ভালো করিয়া তাকাইবার আমাদের অবসর থাকে না। ক্ষণে ক্ষণে ইহার এক-একটা অংশের দিকে আমরা দৃষ্টিপাত করি। কিন্তু ইহার অধিকাংশই অন্ধকারে অগোচরে পড়িয়া থাকে’। সেই অন্ধকারে এঁকে রাখা ছবিগুলো যা রঞ্জিত সিংহ’র ভেতরে একান্ত ব্যক্তিগত হয়ে থেকে গিয়েছিলো, আমি সেগুলোকেই আলোয় আনতে চেয়েছি। ‘রঞ্জিতকথা’ তাই।

গাছ
চুপ করে বসে থাক আর শোন। গাছেরাও কথা বলে জানলাম কাল। সকালে হাই তোলার মত করে গাছেরাও শব্দ করে শুকনো,ভেজা পাতাগুলোকে ঝেড়ে ফ্যালে সকালের প্রথম হাওয়ায়। তারপর একটু হাত পা নাড়িয়ে ব্যায়াম করে, সকালের রোদে। শুকনো ডালগুলোর মড়মড় আওয়াজ শুনলে বুঝবি।