
মেয়ে জ্যামিতি আঁকছে
টেবিলের পাশে জানালা
জানালার পাশে শরতের উড়ু উড়ু মেঘ
মেঘ ঘুরে ঘুরে বেড়ায়
টেবিলে এসে বসে
এটা কিন্তু ভাল দেখায় না
কোনটা
এই টেবিলে মেঘের চুপচাপ উড়ে এসে বসা
জানালাটা খোলা
বিড়াল উশখুশ করে আর দেখে
ভেতরের ঘরে কলেজ পড়ুয়া মেয়ে
জ্যামিতি আঁকছে
ওর যেন বিপদ না হয়
___________
মাননীয় বিচারকগণ
নিজেকে অপরাধী গণ্য করে আমি আপনাদের সাবধান করে দিচ্ছি :
এক মুহূর্তের জন্যও চোখ বন্ধ করবেন না
আমি আর এই পৃথিবী সমান্তরাল
চোখ বন্ধ করলে দেখতে পাবেন আমাকে
তারপর বিদ্রোহ করবে আপনাদের আত্মাসকল
__________
ডিঙি
পাঁচিলগুলোকে নিয়ে চাপা অস্বস্তি সত্বেও আমরা শুয়ে ছিলাম
ওদের সঙ্গেই
ওদের প্রতিটি রাতের ঠোঁটে কালো রক্তের কষ
সারাটা দিন ওরা ছিঁড়েখুঁড়ে খেয়েছে সূর্যটাকে
আর কয়েকটা বাচ্চা পাথর
যাদের বাপ-মা এখন কোথায় কেউ বলতে পারবে না
ওদের বিস্মিত চোখ চিরে ফেলছে বাতাসের সরলতা
আর রাত কাঁপছে নির্জন এক ডিঙির মতো
__________
বীজের কী প্রকৃতি
কোন মাই সন্তানকে ভালোবাসে না
বরং
সে ভালোবাসে নিজেকে
পৃথিবীর ওপর সে প্রতিশোধ নিতে চায়
কেন না
কিছু বুঝে ওঠার আগেই
পৃথিবী
তার ভেতর পুঁতে দিয়েছিল বীজ
যে বীজের ওপর তার কোন নিয়ন্ত্রণ ছিল না
কোন সন্তানই মাকে ভালোবাসে না
তার রয়েছে আতঙ্ক
আতঙ্ক আর আতঙ্ক
তার ভেতর নিতে হবে বীজ
বীজ
কেমন প্রকৃতি তার
তা অনুমান করে নিতে পারা অসাধ্য
শাহবাগ প্রজন্ম চত্তর
বায়ু
কোলাহল
বায়ু
ঝাঁপটানি
বায়ু
বনঝাউয়ের সরু গুড়ি
বায়ু
টেম্পোরাল ম্যাটেরিয়ালিটি
বায়ু
অস্বীকার
বায়ু
ভবিষ্যৎ
বায়ু
কাদামাটি
বায়ু
পাহাড়ের অসংকোচ ল্যান্ডস্কেপ
ব্যাঘাত ঘটায়
তোমার ঘুমের
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,