
এই যেমন মাগরিব আর কলমিলতারা একই রেখায় নক করে জানালায়, সেই সাথে কাটা মুণ্ডঅলা ষাড়ের তড়পড়ানি চোখ মনে জাগে কারো, এমনই সমাজ গড়েছো মানুষ বিশ্বাস করে না আর নিজেদেরই বুক ধড়ফড়;
খুব যত্ন করে প্রজন্মকে খাবারের সাথে তুলে দিচ্ছি যুদ্ধের সংবাদ, ধ্বংসের বিজ্ঞান আর জুমার মিম্বর হতে, পুজার প্যান্ডেল হতে, সিনাগগ হতে চারদিকে তাক করা ধর্মের নাম মনুষ্যত্ব নাকি? তুমি নিশ্চিত?
এই যে কবিতার নামে ইউটার্ন নিচ্ছে মানুষের মনস্কামনা, আমরা শীতের সকালে মটর কালাইয়ের দিকে ফিরাতে চাইছি মুখ, বারান্দা পাহারা দিক অথই মল্লিকা;
তবু এক মাটির পাখি আঁকা খাতার ওপর থেকে কোন অভিমানে দুপুর সরে যায়, দুবলা সরে যায়, জীবন সরে যায় আর খেলনাফুলের রঙ থেকে রোদ খুলে নিয়ে তোমার জানালায় বসালেই দেখো সন্ধ্যা নেমে আসছে, আমাদের সময় ফুরালো নাকি, স্বপ্নেরা বিদায় নিবে?
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,