
ভ্রম
ঘুরছি এক ভ্রমে
হলদে সাদার কদম হবো বলে ।
হাওয়ার খিলখিল থেকে নরকের বন্ধ
দরজার কাছাকাছি গিয়েও তুমি ফিরে এলে
ঈশ্বর হাতে । একদিন ঠিক সিংহের রঙের মতো
আবার দাঁত নখ বেড় হবে
আর খুলে পড়বে নদীর কেশর।
প্রহর শেষে বৈষ্টমী গেয়ে যাবে তার নগর কীর্তন
সেই মুহূর্তে আমি খুঁজে নেবো ঈশান
জানালার ওপার থেকে শুসে খাবো নৈনিতাল
গায়ে জড়াবো কবিতার শার্ট ।
তখন ও কি বলবে একটা নাভি দাও
আমার হাতঘড়ির বদলে , নাকি
পা গুনে গুনে তৈরী করবে পৃথিবীর শামুক
যাদের চোখ আমার অদেখা।
_______________
স্তব
একজোড়া বিশুদ্ধ বকম গড়িয়ে দেবো
তোমার পায়ে জন্য, তখন
পরিপূর্ণ ঘাম বলবে নমস্কার।
তোমাকে একদিন উলু দিতে দিতে
নিয়ে যাবো সবুজ পাট গাছের ছায়ায় ।
যেখানে প্রজাপতির ভরা সাংসার
তুমি ডিমের তাল থেকে ভেজে নিও
বিকেলের জিরাফ । রাতে সদ্যোজাত
ঘোড়ায় চড়ে আমরা যাবো কাশ্মীর থেকে
মালদ্বীপ। ফুলের অবচেতনে
শব্দেরা সারা দাও। শূন্য করে তোল
অন্ধকার ঠেলে ক্রমাগত দুধের কাপ এসো
মাটিতে বসে প্রার্থনা করি ।
আমাদের স্তবের নাম মহাকাশ ।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,