২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
শূন্যের স্থাপত্য
শূন্যের স্থাপত্য

তুমি যেখানে আছো,

ক্রমশ হাড়ের দিক থেকে

ক্রমশ জলের—

 

মাংস-প্রতি প্রণাম।

সসাগরা হাওয়ার বাইরে

জিভের মতো কৌতূহল

অথবা কৌশল

ভিজে গেছে।

 

স্তন-ভাঙা বাড়ি মানেই

কবির বাড়ির চাঁদ।

তার চেয়ে উঠে দাঁড়িয়ে

সবশুদ্ধু অনেক তলাকার অশান্তিরা

হাড়হিম।

 

শুধু তোমার ওজনে

ধীরে ধীরে নীচের দিকে নামে—

ডোরাকাটা ভাবে

চিতায় শোয়ানো দেহ।

 

আমি ছলকে ডুবে যাওয়ার চাঁদকচুরিপানার মতো,

বাৎসরিক প্রতিমার সুদূরে,

নাভির কাছাকাছি।

 

জিহ্বাবিদ্ধ মুখের ঢিল ধরে

টেনে রাখা কবির মতো

নিঃসঙ্গতা—

এখন রোদের এক বিশেষ গারদ।

 

ক্রমেই, সূক্ষ বৃত্তের ঘিরে ফেলা

নিজের চারিদিক—

যেন ছোট ছোট কবিতার গ্রাম থেকে আসা

আত্মার স্নান।

 

ক্রমদৃশ্যমান কালো পর্দার মতো

অসুখী ফসলের

বিস্ময়কর প্রতিভা—

উল্লেখ্য, কিংবদন্তি।

 

অন্ধকার পার হতে হতে

অজস্র ঘুমন্ত শিশুর দগ্ধ শরীরের মতো

স্রোতে ভেসে যাওয়া ছাড়া

এই নশ্বর জীবন যা দিয়েছে।

 

নির্মাণের শূন্য থেকে

এ অবাধ,

শিখরমাত্র চালাঘর

ভেসে ওঠে

দূর দিগন্তে।

সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
ওয়াহিদার হোসেন

কয়েকটি কবিতা

সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

কবিতা৭ মে, ২০২৪
দুটি কবিতা
জ্যোতির্ময় বিশ্বাস

দুটি কবিতা

একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

কবিতা৭ মে, ২০২৪
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
শ্রী সদ্যোজাত

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......

ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,

কবিতা৭ মে, ২০২৪