
তখন গোধূলি
আমি ও দেবদূত
দেবদূত ও আমি
হরতন,রুইতন খেলি
আমাদের মধ্যে কখনোই আসেন না 'ঈশ্বর' নামের ব্রান্ড
গাছেদের হারিয়ে যাওয়া সবুজ সোয়েটারের প্রসঙ্গ আসে,
অনশনে বসে থাকা কতগুলো ভুখা পেটের দর্শন,হলুদ করোটির রাজনীতি
মাটি থেকে রক্তের গন্ধ ভেসে আসে,আমরা নাক চেপে ধরি
মদ ও মাংসের কথা ওঠে- মৃতদের সাথে সঙ্গম করে যারা,সেই সব অঘোরীদের কথা।
আজব পৃথিবী ! হেসে উঠি-- হা হা!
টাকাপয়সার কথা ওঠলে নেতা,মন্ত্রী,পুলিশ,শ্রমিক,চাষী ও মাতালদের কথা আসে-
কথা আসে ভুল পৃথিবীতে জন্মানো শিশুর..
দেবদূত সিগারেট খায় না
তাই তোমার গাঢ় অভিমানের কথা তুলে ধরি-
টেক্কা তখন আমার হাতেই
দেখি, হারতে হারতে
জিতে গেছে আমার তাসের জীবন।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,