২৭ জুলাই, ২০২৬
আমাদের যুদ্ধ জারি থাকবে

আগুন আগুন আগুন জ্বলছে
আমাদের বুকে-পেটে-মাথায়
শ্রাবণের ফোঁটাগুলো যেন এক একটা পেরেক
অন্ধ করে দিচ্ছে আমাদের চোখ
আমাদের স্বপ্নগুলোকে খোরাক বানিয়ে
হাসাহাসি করছে
ঘুণধরা দম্ভে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে চাইছে
আমাদের আজন্ম লালিত সিঁড়িগুলো
বোধহয় ইতিজাস জানে না ওরা
যতবারই বজ্র আঁটুনি এসেছে ততবারই এসেছে ভূমিকম্প
ততবারই আমাদের শরীর অনির্বাণ চিতা হয়ে শুষে নিয়েছে সমস্ত অন্ধকার
হায়! যদি ওরা ইতিহাস জানত তাহলে বুঝত
জোর করে নখ ভোঁতা করে দেওয়া যায়
কিন্তু কোষে কোষে ছড়িয়ে পড়া আগুন নেভানো যায় না
ওরা ভয় পায় আমাদের। ওরা যত ভয় পায়
কে না জানে তত বেশি আমাদের জয় হয়
আমাদের হাওয়া শিরশিরিয়ে ওদের নির্বস্ত্র করে
ওদের উলঙ্গ কামনারক্তভার বসুধাও ফিরিয়ে দেয় ঘৃণাভরে
সত্যিই যদি ওরা জানত একাকার হয়ে আমরা
উড়ে এলে, ওদের আকাশ তখনই রক্তধারায় ছিন্নভিন্ন হয়ে ছড়িয়ে পড়বে ওদের হর্ম্যপ্রাসাদের ওপর
মখমলি বিছানায় উঠে আসবে কৃমিকীটের গা ঘিনঘিনে দল
সর্বাঙ্গে ঘা হয়ে ফুটবে আমাদের অগণিত লাশের ওপর
ওদের ফুর্তির দুপুরগুলো, সকালগুলো এমনকি রাতগুলো
অথবা ওরা হয়ত জানে এসব। ওরা জানে দীর্ঘ সভ্যতার ইতিহাস পেরিয়ে আসা আমাদের চিতাচুল্লি কখনো নেভে না
আমাদের দীর্ঘ ছায়া ওদের ঘরে ঘরে সাপের ফনা তুলে প্রতিরাতে
ঘুমের ভিতর ওদের সন্তানের কপালে চুমু খায়
বুকে জিভ রেখে স্পন্দনে বুঝতে চায় ক্লেদাক্ত পৃথিবীর মহাসত্যগুলো
কেন একই মাতৃগর্ভে জন্মেও আমাদের কোতল করতে ওদের হাত কাঁপে না
কীভাবে হৃদয় বিকিয়ে দিয়ে নিজেরাই প্রমাণ করে নিজেদের কীটজন্ম
ওদের সন্তান কি কখনো জানবে বিশুদ্ধ বাতাস কাকে বলে?
কাকে বলে জ্যোৎস্নার নীলমনি হার?
রূপসী প্রেম নাকি অস্তাচলগামী নিয়তি কে বেশি যুদ্ধে নিপুণ?
আমাদের যুদ্ধ জারি থাকবে
যতদিন ওরা আমাদের বুক খালি করবে
আমাদের যুদ্ধ জারি থাকবে
যতদিন ওরা বিষ ছড়িয়ে কলুষিত করবে দেশ
আমাদের যুদ্ধ জারি থাকবে
যতদিন ওরা হিমঘর বানিয়ে রাখবে কোটি কোটি লাশের
আমাদের যুদ্ধ জারি থাকবে
যতদিন ওরা কাঁচা মাংসের ভোজ চালাবে
আমাদের যুদ্ধ জারি থাকবে
যতদিন না আমরা বুঝে নেব ওদের প্রতিটা চাল
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেন
কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?
কবিতা৭ মে, ২০২৪

জ্যোতির্ময় বিশ্বাস
দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব
কবিতা৭ মে, ২০২৪

শ্রী সদ্যোজাত
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,
কবিতা৭ মে, ২০২৪