সাপ্তাহিক লেখালেখি
সকল পোস্টসমূহ

ফালুটে বিড়ম্বনা (পর্ব এক)
কদিনের মধ্যেই গোয়েচালা যাব ঠিক হয়েই আছে- এরইমধ্যে একদিন বাড়ি ফিরতেই মা বলল, " সান্দাকফু যাবি নাকি?" মুখে বললাম, "আআআবাআআর", কিন্তু মনে মনে তো, "স্যাকটা তাহলে গুছিয়ে ফেলি।"

ফালুটে বিড়ম্বনা (অন্তিম পর্ব)
সকালের প্রথমার্ধের রোদের মনোরম উষ্ণতার আবেশ শরীরে - মননে মেখে ছন্দে ছন্দে চলি আনন্দে। লাল তেকোনা ছাদবিশিষ্ট একাকী ছোট্ট বাড়িটার মাথার ওপর খাটানো নীল বিনি পয়সার তাঁবু আর তার পাশেই অতিক্ষুদ্র জলাশয়ে নীল আকাশের ছায়াকে উদ্বেলিত করে স্তব্ধতার গান। আনমনা মন এড়াতে পারেনা থুরি এড়াতে চায়না টুমলুর মায়াবী আকর্ষণ। "ভালবাসি বিশ্বের সুষমার ছবিটি"

অর্ঘ্য রায় চৌধুরীর দুটি কবিতা
সমস্ত উৎসব ফুরিয়ে গেছে বলেই সন্ধ্যা নেমে এল মেঠো পথ, বহুদূরে গাছেদের সারি বিকেলের আলোটুকু ম্লান এখন কোথায় যেতে পারো তুমি? অন্ধকারে হাতড়ে বেরিয়েছো চেনা পথ পুরোনো দরজায় কড়া নেড়ে দেখেছো বন্ধ হয়ে গেছে সমস্ত চিঠিদের চোখ এখন এক চোরাবালি জেগে উঠেছে ধূ ধূ চর, ওইপারে নিঃঝুম গ্রাম এইখান থেকে আজ ফিরে যেতে পারো।

ব্রাত্য ঈশ্বর ও সৃষ্টির সংলাপ
মানুষ শূন্য পৃথিবীর পায়ুপথে একটা আপেল গাছ রোপন করার পর আমি সোজা হাঁটা ধরলাম নরকের দিকে। পথে দেখা হলো ক্রশবিদ্ধ যিশুখ্রিষ্টের সঙ্গে। পথে দেখা হলো নূহের পুত্র কেনানে'র সঙ্গে। প্রত্যেকে তাঁদের নিজের পিতার বিরুদ্ধে কথা বলছেন।

ফালুটে বিড়ম্বনা (পর্ব দুই)
গাড়িটা অনুভূমিক হতেই একসঙ্গে সবাই যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল। আজ কি পূর্ণিমা নাকি ? কই তেমন তো শুনিনি। সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানের ফলকটা স্পষ্ট পড়া যাচ্ছে এই নিশীথে। স্মৃতির অ্যালবামের সাথে যে কোনো মিলই নেই। নিঃসন্দেহে আমরা পশ্চিমবঙ্গের সর্বোচ্চ স্থানে আরোহন করেছি - তবে হঠাৎ এত আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে যায়। এরই নাম উন্নয়ন - প্রকৃতি-মা-এর সৌন্দর্যায়ন হয়েছে আধুনিকতার লম্ফ জ্বেলে। বোঝো ঠেলা এক শহর থেকে নিষ্কৃতি পেতে এলেম কিনা আরেক শহরে!

নিজের ঠিকানা কিছু নাই
নিজের ঠিকানা খোঁজা জন্ম থেকেই শুরু আজীবন চলে সেই খোঁজা – কতো আসে কতো যায় জন্ম মৃত্যু ‘কাল’ পায় বয়ে চলা কতো শত বোঝা!

সবুজ শ্যাওলা
বিভাস মূর্খ, পকেটে টাকাপয়সা আছে, জামাটা ইস্ত্রি করা হয়নি, জামার কোথাও কোথাও হলুদ ছোপ ছোপ, তরকারি মেখে ওই অবস্থা হয়েছে হয়তো, হাফপ্যান্ট এবং একটি হাওয়াই চটি, গ্রীষ্মের সকাল সাড়ে দশটার সময় একটি মিষ্টির দোকানের বেঞ্চের উপর বসে আছে। কয়েকটা মাছি ছাড়া এই মুহূর্তে মিষ্টির দোকানটায় কেউ ঢুকছে না, আবার বেরোচ্ছেও না।