৬ জুন, ২০২৬
অর্ঘ্য রায় চৌধুরীর দুটি কবিতা

করতলে জল
সমস্ত উৎসব ফুরিয়ে গেছে বলেই সন্ধ্যা নেমে এল
সমস্ত উৎসব ফুরিয়ে গেছে বলেই সন্ধ্যা নেমে এল
মেঠো পথ, বহুদূরে গাছেদের সারি
বিকেলের আলোটুকু ম্লান
এখন কোথায় যেতে পারো তুমি?
অন্ধকারে হাতড়ে বেরিয়েছো চেনা পথ
পুরোনো দরজায় কড়া নেড়ে দেখেছো
বন্ধ হয়ে গেছে সমস্ত চিঠিদের চোখ
এখন এক চোরাবালি জেগে উঠেছে
ধূ ধূ চর, ওইপারে নিঃঝুম গ্রাম
এইখান থেকে আজ ফিরে যেতে পারো।
পোড়া দাগ
বৃষ্টি হলেই বাজ পড়েছে শুধু?
তাহলে যে দেখি অসংখ্য বাজে পোড়া দাগ বুকে নিয়ে বাজারে যায় মানুষ, সন্তানকে ভাত বেড়ে দেয়, অফিসের পথে দৌড়ায়?
তুমিও কি পোড়োনি বাজ পড়ে?
আমি কি পুড়িনি?
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

সুরজিৎ ব্যানার্জি
ফালুটে বিড়ম্বনা (পর্ব এক)
কদিনের মধ্যেই গোয়েচালা যাব ঠিক হয়েই আছে- এরইমধ্যে একদিন বাড়ি ফিরতেই মা বলল, " সান্দাকফু যাবি নাকি?" মুখে বললাম, "আআআবাআআর", কিন্তু মনে মনে তো, "স্যাকটা তাহলে গুছিয়ে ফেলি।"
সাপ্তাহিক লেখালেখি১৩ জুন, ২০২৬

সুরজিৎ ব্যানার্জি
ফালুটে বিড়ম্বনা (অন্তিম পর্ব)
সকালের প্রথমার্ধের রোদের মনোরম উষ্ণতার আবেশ শরীরে - মননে মেখে ছন্দে ছন্দে চলি আনন্দে। লাল তেকোনা ছাদবিশিষ্ট একাকী ছোট্ট বাড়িটার মাথার ওপর খাটানো নীল বিনি পয়সার তাঁবু আর তার পাশেই অতিক্ষুদ্র জলাশয়ে নীল আকাশের ছায়াকে উদ্বেলিত করে স্তব্ধতার গান। আনমনা মন এড়াতে পারেনা থুরি এড়াতে চায়না টুমলুর মায়াবী আকর্ষণ। "ভালবাসি বিশ্বের সুষমার ছবিটি"
সাপ্তাহিক লেখালেখি২৭ জুন, ২০২৬

এম এ ওয়াহিদ
ব্রাত্য ঈশ্বর ও সৃষ্টির সংলাপ
মানুষ শূন্য পৃথিবীর পায়ুপথে একটা আপেল গাছ রোপন করার পর আমি সোজা হাঁটা ধরলাম নরকের দিকে। পথে দেখা হলো ক্রশবিদ্ধ যিশুখ্রিষ্টের সঙ্গে। পথে দেখা হলো নূহের পুত্র কেনানে'র সঙ্গে। প্রত্যেকে তাঁদের নিজের পিতার বিরুদ্ধে কথা বলছেন।
সাপ্তাহিক লেখালেখি৪ জুলাই, ২০২৬