২৯ আগস্ট, ২০২৬
ভিনদেশী তারা - অন্তিম পর্ব
ভিনদেশী তারা - অন্তিম পর্ব

//অন্তিম পর্ব//

তৃষার বাড়ি থেকে ফেরার পর ধ্রুব গ্রামের ঘাটে গিয়ে বসে রইল অনেকক্ষণ।পদ্মা যেন আরো ফুঁসে উঠেছে , ঘোলা জলের ঢেউ ভাঙতে ভাঙতে বয়ে চলেছে, ভাবটা যেন তাকে আটকায় কার সাধ্য।পৃথিবীর সব কিছুই পরিবর্তনশীল, এই চক্র ছকে প্রকৃতি নিয়ন্ত্রিত হয়।প্রকৃতির নিয়মেই ভালোলাগা ,আবেগ তৈরি হয়। কাওকে না দেখলে নিজের বুকের ভেতরটা অন্ধকার খনির গুহার রূপ নেয় সেখানে চেনা গলার স্বর পাথরের দেওয়ালে ধাক্কা খেয়ে বেড়ায়।ধ্রুবর মনের ভেতরে প্রবল আলোড়নে সবকিছু দুমড়ে মুচড়ে যাচ্ছে ।

শ্রাবণের আকাশের কোনো ভরসা নেই । মেঘ রোদ্দুরের লুকোচুরি চলে দিনভর ,আকাশ কালো হয়ে এলো। সেদিকে খেয়াল নেই ধ্রুবর।বুকের ভেতর দিয়ে পদ্মার ঠান্ডা হাওয়া যেন এফোঁড় ওফোঁড় করে বইছে।মা এর কথা মনে পড়ছে , মামার বাড়ির দামোদর নদীর ধারে মায়ের হাত ধরে ছোট্ট ছোট্ট পায়ে ঘুরতো।মা নদী ভালোবাসতো খুব । মায়েরা নদীর মতই হয় ,সংসারের কতকিছু বহন করে নিয়ে যায় সাথে। কোনোদিন নিজেকে এত নিঃসঙ্গ ,অসহায় মনে হয়নি কিন্তু আজ বড্ড ফাঁকা ফাঁকা মনে হল ধ্রুবর । মায়ের কোলের মিষ্টি গন্ধটা মনে পড়লো , তৃষার গা থেকেও আজ সকালে সেই একই চেনা গন্ধ পাচ্ছিলো ধ্রুব। এমন হয় নাকি , মা এর আঁচলের গন্ধটা তৃষার গায়ে কেন থাকবে ।আজ সব তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে।আর ভাবতে পারছে না । বৃষ্টি পড়তে শুরু করলো। উঠে পড়লো ধ্রুব ,বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে যখন স্যারের বাড়ি ফিরলো তখন বেলা গড়িয়ে দুপুর।

 

কাল রাত থেকেই ধ্রুবর ধুম জ্বর।সারা রাত জ্বরের ঘোরে তৃষাকে ডেকেছে। কেউ টের পায়নি। সকালে জীবনবাবু একটু অবাক হলেন,কারণ ধ্রুব খুব সকালে উঠে পড়ে ।আজ কোনো সাড়া শব্দ না পাওয়ায় ঘরে গিয়ে গায়ে হাত দিয়ে দেখেন জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে ।উনি গ্রামের স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ডাক্তার শশধর রায় কে ডেকে আনলেন তাড়াতাড়ি।উনি দেখে বললেন ভয় নেই সামান্য ভাইরাল ফিভার।ব্যাগ থেকে ওষুধ বের করে জীবনবাবুর হাতে দিলেনএবং কিছু খাইয়ে নিয়ে ওষুধগুলো খাওয়াতে বললেন।

জীবনবাবুর স্ত্রী মায়া খুব শান্ত মহিলা। উনি নিঃসন্তান।তাই ছেলের বয়সী ধ্রুবর খুব যত্ন করলেন।

বিকেলের মধ্যে ধ্রুব উঠে বসলো । আজ তার চলে যাওয়ার কথা ছিলো কিন্তু যাওয়া হলনা ।দুপুরবেলা অফিসে ফোন করে জানিয়ে দিয়েছে ।ম্যাডামকেও ফোন করে জানালো যে এদিকের কাজ প্রায় শেষ। পুলিশের নজরদারি রয়েছে দলটার উপর ,আশাকরি কয়েকদিনের মধ্যেই হাতেনাতে ধরা পড়বে দলটি।বর্ডার এলাকায় সিকিউরিটি বেড়ে গেছে এবং পুরো বর্ডার সীল করে দেওয়া হয়েছে।ভেবেছিলো পাশের আর দুটো গ্রামে যাবে কিন্তু তা আর হলোনা।

ধ্রুবর শুধু একটি কাজ বাকি আছে । উঠে পড়লো। জিন্স ও টি শার্ট পরে বেড়িয়ে পড়লো।

 

ঘাটে গিয়ে একটা নৌকোয় উঠে পড়লো। জীবনবাবু ও ওনার স্ত্রী আপত্তি করেছিলো আজ অসুস্থ অবস্থায় না বেড়াতে কিন্তু ধ্রুব শোনেনি ।আজ সে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ,প্রচন্ড দুর্বল শরীর নিয়েও তাই সে বেরিয়ে পড়েছে।

পাশের গ্রামের ঘাটে ভীড় জমে উঠেছে।ঘাটের পাশেই পুরোনো শিব মন্দিরটি নজরে পড়লো কিন্তু যা অবস্থা তাতে বেশিদিন আর অক্ষত থাকবে কিনা সন্দেহ ।পদ্মার ভাঙনে প্রচুর ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে ।পাড় বরাবর বড় বড় পাথর লোহা দিয়ে বেঁধে বাঁধ দেওয়া হয়েছে। ঠান্ডা হাওয়ায় ধ্রুবর শরীরের উত্তাপ বাড়ছে কিন্তু ধ্রুবর তাতে কোনো ভ্রূক্ষেপ নেই ।আজ সকাল থেকে অনেক ভেবে দেখেছে ,তৃষার সারল্য মাখা নিষ্পাপ মুখের মধ্যে এমন কিছু আছে যা ধ্রুব ভুলে থাকতে পারবে না ।তৃষার আঁচলের ঘ্রাণ না নিলে তার নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে যাবে তাই সে একবার চেষ্টা করে দেখবেই । অনেক পুরোনো পোড়া ইঁটের ভাঙা চোরা একটি সাধারণ মন্দিরের সামনে এসে দাঁড়ালো ধ্রুব। পাশে পুরোনো প্রাচীন বুড়ো বট গাছের নিচে কয়েকটি পুতুল খেলনার দোকান, কিছু সস্তা গ্রাম্য প্রসাধনী,কাঁচের চুড়ি, বেলুন ,আর কিছু খাবারের দোকান বসেছে ।খাবার বলতে ঘুগনি , পাঁপড় ভাজা ,খাজা ,গজা আইসক্রিম এইসব আর হাতে ঘোরানো একটি নাগরদোলা।

ধ্রুব মন্দিরের সিঁড়িতে গিয়ে দাঁড়ালো ।সন্ধ্যা আরতি শুরু হয়েছে।মন্দিরে ঘন্টা , কাঁসর বাজছে।অনেক ভীড় চারপাশে ।বহু পুরোনো শিবলিঙ্গে আকন্দের মালা আর চারধারে প্রদীপ দিয়ে সাজানো হয়েছে।ধূপ, ধুনোর গন্ধে চারপাশ ভরে গেছে।তৃষা কে কোথাও দেখতে পেলোনা ধ্রুব। মন্দির চত্তর তন্ন তন্ন করে খুঁজেও দেখতে পেলোনা ।এখানে আসার আগে ধ্রুব তৃষাদের বাড়ি গিয়েছিলো সেখানে তৃষার বাবার কাছ থেকে জেনেছে যে তৃষা এখানে এসেছে তাহলে সে কোথায় গেলো ! পূজো দিয়ে কি ফিরে গেছে গ্রামে! 

ধ্রুব হতাশ হয়ে মন্দিরের সিঁড়িতে বসে পড়লো ,এই জ্বর নিয়ে এতদূর এসেও কোনো কথা বলা হলোনা তৃষাকে ।ক্লান্ত দেহের তাপমাত্রা হুহু করে বাড়ছে।ঘড়িতে সাড়ে সাতটা বাজে। ধ্রুবর অস্থিরতা ধীরে ধীরে বিষণ্নতায় পৌঁছে গেলো, উঠতে যাবে অমনি মাথাটা ঘুরে গেলো টাল সামলাতে না পেরে প্রায় পড়েই যাচ্ছিল হুমড়ি খেয়ে ।কোনোরকমে নিজেকে সামলে নিয়েছে, মুখ তুলে উঠতে যাবে অমনি দেখলো সামনে তৃষা দাঁড়িয়ে আছে। নীল রঙের শাড়িতে অপূর্ব লাগছে তৃষাকে,হাতে পূজোর থালা।লম্বা বিনুনি দুলছে সামনের দিকে,তাতে জুঁই ফুলের মালা শোভা পাচ্ছে।ধ্রুব মুগ্ধ হয়ে চেয়ে রইলো।তৃষা তারদিকে সামনে এগিয়ে এলো।

-আমি ভাবতে পারিনি আপনি আসবেন ।খুব খুশি হলাম ।

-আমাকে যে আসতেই হতো তৃষা, নইলে আমারই ক্ষতি হতো।

তৃষা কিছুই বুঝতে পারলো না ।কোনো মন্তব্য করলোনা ।

-আপনি একটু অপেক্ষা করুন আমি পূজো দিয়ে আসছি ।

ধ্রুব মনে মনে বললো , একটু নয় তৃষা আমি তোমার জন্য সারাজীবন অপেক্ষা করতে রাজি আছি।আমার সমস্ত সত্তা শুধু তোমাকেই খুঁজেছে কিন্তু তা উপলব্ধি করতে পারিনি সঠিকভাবে ।কিছুক্ষণ পর তৃষা পূজো দিয়ে ফিরে এলো ।লোকজনের ভীড় কমে এসেছে,সবাই একে একে পূজো দিয়ে ফিরে যাচ্ছে। 

-চলুন , উঠে পড়ুন। এরপর নৌকো পাওয়া যাবেনা , তখন পায়ে হেঁটে ফিরতে হবে ।

-না যাব না , তোমাকে কথাগুলো না বলে এখান থেকে কিছুতেই যাবো না ।

-কি কথা ? সে তো যেতে যেতেও হতে পারে ।আসুন ।

-না, এখনই বলতে হবে , যেতে যেতে নয়।

ধ্রুব উঠে দাঁড়ালো ।তৃষার একটা হাত ধরে টেনে মন্দিরের পাশে পদ্মার ধারে বাঁধানো পাথরের দিকে নিয়ে গেল,তৃষা স্পর্শ পাওয়া মাত্র টের পেল ধ্রুবর গা জ্বরে পুড়ে যাচ্ছে।ধ্রুব তৃষার হাত থেকে পূজোর থালা নামিয়ে রাখলো পাথরের উপর ।আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলো না ,নতজানু হয়ে বসে পড়লো তৃষার সামনে ,তৃষাও বসলো পাশে ।

-আপনার তো জ্বরে গা পুড়ে যাচ্ছে ,এই অবস্থায় না এলেই পারতেন ।

-তোমাকে যে কথাগুলো না বলতে পারলে আমার মন পুড়ে যাচ্ছে তৃষা।

-কি কথা ?

ধ্রুব তৃষার হাত দুটো নিজের হাতের মধ্যে নিলো ,তৃষার বুকের মধ্যে প্রবল আলোড়ন চলছে যেন পদ্মার ঢেউগুলো বুকের মধ্যে উথাল পাথাল আছড়ে পড়ছে।ধ্রুবর তপ্ত হাত তৃষার সমস্ত শীতলতা শুষে নিচ্ছে ধীরে ধীরে ।ধ্রুব শব্দগুলোকে নিজের মনের মধ্যে গুছিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে কিন্তু মুখে আসছে না।ধ্রুব আর ধরে রাখতে পারলো না নিজেকে সরাসরি বলে দিল তৃষা কে ।

-আমি অত গুছিয়ে বলতে জানিনা তৃষা,আমার মনের ভেতর যা অনুভূত হচ্ছে তা স্পষ্ট ভাষায় বলছি ......তোমাকে না দেখে থাকতে পারছিনা, তোমার থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পারছিনা ।তোমাকে খুব ভালোবেসে ফেলেছি ।তুমি কি আমাকে বিয়ে করবে ?

কথাগুলো বলে নিয়ে ধ্রুব একটু দম নিলো ,তৃষা তার দিকে তাকিয়ে আছে নিষ্পলক ।ধ্রুব তৃষার দিকে তাকিয়ে আবার বললো ..

-করবে আমায় বিয়ে ??

ধ্রুব তৃষার হাত দুটো ধরে নাড়া দিল ।কি হল ,কিছু উত্তর দাও।

-আপনার কোথাও ভুল হচ্ছে না তো , আমি সামান্য এক গরিব জেলের মেয়ে ।কোথায় আপনি আর কোথায় আমি ।তা হয়না ধ্রুব বাবু ।

ধ্রুব দু হাত দিয়ে তৃষার মুখ তুলে ধরলো তারপর দৃঢ় গলায় বললো..

-গরিব আর বড়লোক দেখে কি ভালোবাসা হয় তৃষা ? এভাবে ফিরিয়ে দিও না আমাকে।

ধ্রুব আর কথা বলতে পারছে না ।মাথা ঘুরছে ।

তৃষা বুঝতে পারলো ধ্রুবর শরীর নুয়ে পড়ছে তবুও কথা বলছে।তৃষা ধ্রুবর হাত দুটো শক্ত করে ধরলো।তার মনের ভেতর কম তোলপাড় হচ্ছেনা।ধ্রুবকে তারও পছন্দ হয়েছে প্রথম দিন থেকেই কিন্তু তাদের মাঝখানের দেওয়াল ভেঙে ফেলা কি এতই সহজ !ধ্রুবর ভালোবাসায় কি সেই জোর আছে !মনের থেকে দ্বিধা, দ্বন্দ্ব দূর করতে পারছেনা তবুও ধ্রুবর গলার স্বর ও চোখের ভাষায় এমন কিছু ছিলো যা তৃষার মন ভিজিয়ে দিলো।

-উঠুন ,ঘাটে চলুন ,আর কোনো কথা নয় ।আপনার শরীর খারাপ ,এ অবস্থায় এখানে আর এক মুহূর্ত নয় ।

-আগে তুমি উত্তর দাও।

-সব কথার উত্তর দিতে নেই।চলুন হাতটা ধরুন ,উঠে দাঁড়ান।

ধ্রুব বাধ্য ছেলের মত তৃষার হাত ধরে উঠে দাঁড়ালো ।ধীরে ধীরে ওরা দুজনে নৌকোয় গিয়ে বসলো ।

তৃষাকে কথাগুলো বলে দিয়ে বেশ হালকা লাগছে ধ্রুবর কিন্তু তৃষা স্পষ্ট করে কিছু বললো না এটা তার মনে প্রশ্নের ঝড় তুলছে ।ধ্রুব আর বসে থাকতে বা চিন্তা করতে পারছিলো না, নৌকোর পাটাতনের উপর শুয়ে পড়লো। 

তৃষা ধ্রুবর মুখের উপর ঝুঁকলো ,মুখটা জ্বরে শুকিয়ে গেছে।আশ্চর্য হয়ে গেলো তৃষা ,এই শারীরিক অবস্থায় এতদূর পায়ে হেঁটে সে এসেছে শুধুমাত্র তাকে এই কথা বলার জন্য !নিজের মনকে আর বেঁধে রাখতে পারলোনা তৃষা।

ধ্রুবকে কিছু না বলেই চুপিসারে ধ্রুবর মাথাটা নিজের কোলের উপর তুলে নিলো ,কপালে হাত রাখলো ।ধ্রুব নিশ্চিন্তে চোখ বুজে ফেললো,কতদিন পর এই নিশ্চিন্ত আশ্রয়টুকু খুঁজে পেলো সে।শ্রাবণী পূর্ণিমার জ্যোৎস্নায় ভিজে গেলো দুটি মন। ভিজে যাচ্ছে চরাচর ভালোবাসার অনুরণনে।পদ্মার প্রবল ঢেউয়ে ধীরে ধীরে ভেসে যাচ্ছে দুজনের মাঝখানের দেওয়ালের প্রতিটি ইঁট।আকাশ আজ ধরায় নেমে এসেছে,তৃষার ঘন নীল আঁচল জুড়ে একটি তারা ফুটছে ধীরে ধীরে।

 

         ............ সমাপ্ত..............

সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ভিনদেশী তারা (পর্ব-২)
মন্দিরা পাল

ভিনদেশী তারা (পর্ব-২)

ঘাটে যখন নৌকা পৌঁছলো তখন সন্ধ্যে ৬টা বেজে গেছে ! চারিদিকে অন্ধকার , বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছিলো অনেক আগে কিন্তু এখন বেগ বাড়তে শুরু করেছে।

সাপ্তাহিক লেখালেখি১ আগস্ট, ২০২৬
ফালুটে বিড়ম্বনা (পর্ব এক)
সুরজিৎ ব্যানার্জি

ফালুটে বিড়ম্বনা (পর্ব এক)

কদিনের মধ্যেই গোয়েচালা যাব ঠিক হয়েই আছে- এরইমধ্যে একদিন বাড়ি ফিরতেই মা বলল, " সান্দাকফু যাবি নাকি?" মুখে বললাম, "আআআবাআআর", কিন্তু মনে মনে তো, "স্যাকটা তাহলে গুছিয়ে ফেলি।"

সাপ্তাহিক লেখালেখি১৩ জুন, ২০২৬
ফালুটে বিড়ম্বনা (অন্তিম পর্ব)
সুরজিৎ ব্যানার্জি

ফালুটে বিড়ম্বনা (অন্তিম পর্ব)

সকালের প্রথমার্ধের রোদের মনোরম উষ্ণতার আবেশ শরীরে - মননে মেখে ছন্দে ছন্দে চলি আনন্দে। লাল তেকোনা ছাদবিশিষ্ট একাকী ছোট্ট বাড়িটার মাথার ওপর খাটানো নীল বিনি পয়সার তাঁবু আর তার পাশেই অতিক্ষুদ্র জলাশয়ে নীল আকাশের ছায়াকে উদ্বেলিত করে স্তব্ধতার গান। আনমনা মন এড়াতে পারেনা থুরি এড়াতে চায়না টুমলুর মায়াবী আকর্ষণ। "ভালবাসি বিশ্বের সুষমার ছবিটি"

সাপ্তাহিক লেখালেখি২৭ জুন, ২০২৬