২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
বাঘিনীর ডানা
বাঘিনীর ডানা

এই জ্বলন্ত ঘরে আমি আর থাকতে চাই না, অথচ যারা ভালোবাসে আমায়, তারা এই আগুন দেখতে চাইছে না। পথের ধারে একটা বেঞ্চ, ওখানেই সবাই বিশ্রাম করে। ওই দিকে যাওয়ার আর একটি রাস্তা আছে— কিছুটা ঝোপঝাড়ঘেরা, ওখানে অতীতের আমি একটু ভালো মানুষ হতে শিখেছিলাম। ওখানে এক জ্যোৎস্না রাতে আমি খালি পায়ে দাঁড়িয়েছিলাম, তখন এক মেয়ে আমাকে একটি মরা শামুকের খোল উপহার দিয়ে বলল, এতে অদৃশ্য হওয়ার জাদু লুকানো আছে। বলেই সে চলে গেল। আমি ওটা আলমারিতে রেখে দিয়েছি, কারণ দৃশ্য সন্নিকটে এলে স্বপ্নের সুতো ছিঁড়ে যায়। হত্যার হুমকি আসে। আকাশ থেকে একটু সুরমা নিয়ে আজ আমি তোমার গৃহে যাব। তুমি অকারণে ভালো আছ আজ।

 

সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
ওয়াহিদার হোসেন

কয়েকটি কবিতা

সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

কবিতা৭ মে, ২০২৪
দুটি কবিতা
জ্যোতির্ময় বিশ্বাস

দুটি কবিতা

একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

কবিতা৭ মে, ২০২৪
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
শ্রী সদ্যোজাত

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......

ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,

কবিতা৭ মে, ২০২৪