রহিত ঘোষাল

সকল পোস্টসমূহ

নতুনভাবে শিখে নাও
রহিত ঘোষাল

নতুনভাবে শিখে নাও

যাদেরকে তালুতে তুলে রেখেছি তাদের দেখলে তুমি শিউরে উঠবে, শুধু তাদের কথা বলব কেন এই সাক্ষাৎকারে, তুমিও বলো ভালো-মন্দ বা যা যা অন্যায় হয়েছে তোমার সাথে, বাড়িতে সবাই কেমন আছে,

কবিতা৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
বিভৎস যুগপৎ
রহিত ঘোষাল

বিভৎস যুগপৎ

শিয়ালের গর্তে হাত ঢুকিয়ে বাচ্চা বের করে আনো ওখানেই দূরবীন শাহ্ রোমা রঁল্যার সাথে বিশ্রাম নিচ্ছেন, স্টার থিয়েটারের থেকে বেরিয়ে আসছে উদ্দেশ্যহীন কিছু মুখ,

কবিতা৮ মে, ২০২৫
প্যারাডক্স
রহিত ঘোষাল

প্যারাডক্স

দরজা বন্ধ করে সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে হঠাৎ মনে পড়ল কিছুটা আগুন বুকপকেটে নিয়ে বেরোনো উচিত ছিল, এখন তবে থাক পেছনে ফিরে খুব একটা লাভবান কেউ কখনো হয়নি, খোলা হয়নি মশারির দড়ি,

গদ্য৩০ নভেম্বর, ২০২৫
বাঘিনীর ডানা
রহিত ঘোষাল

বাঘিনীর ডানা

এই জ্বলন্ত ঘরে আমি আর থাকতে চাই না, অথচ যারা ভালোবাসে আমায়, তারা এই আগুন দেখতে চাইছে না। পথের ধারে একটা বেঞ্চ, ওখানেই সবাই বিশ্রাম করে।

কবিতা২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সবুজ শ্যাওলা
রহিত ঘোষাল

সবুজ শ্যাওলা

বিভাস মূর্খ, পকেটে টাকাপয়সা আছে, জামাটা ইস্ত্রি করা হয়নি, জামার কোথাও কোথাও হলুদ ছোপ ছোপ, তরকারি মেখে ওই অবস্থা হয়েছে হয়তো, হাফপ্যান্ট এবং একটি হাওয়াই চটি, গ্রীষ্মের সকাল সাড়ে দশটার সময় একটি মিষ্টির দোকানের বেঞ্চের উপর বসে আছে। কয়েকটা মাছি ছাড়া এই মুহূর্তে মিষ্টির দোকানটায় কেউ ঢুকছে না, আবার বেরোচ্ছেও না।

সাপ্তাহিক লেখালেখি১৮ জুলাই, ২০২৬
রহিত ঘোষালের দুটি কবিতা
রহিত ঘোষাল

রহিত ঘোষালের দুটি কবিতা

রোয়াকে রোদ্দুর, অপরিসীম বিকেল, শ্যামাঙ্গিনী আকাশ, কাঁটাজঙ্গল, ভাগচাষিদের ঘর, ঘরের ক্রন্দনধ্বনি— এই সারাংশ। কাদাজমি থেকে উঠে আসে ঘরগেরস্থি, বুকের শিলাস্তরে ফাটল ধরে— সম্পর্কের পর্বতমালা রমণ চায়, লঞ্চ চলে যায় সাঁঝবেলায় কথার হবিষ্যি আর ছাড়পত্র নিয়ে,

কবিতা২৭ জুলাই, ২০২৬
এক রমণীর প্রতি নিবেদন
রহিত ঘোষাল

এক রমণীর প্রতি নিবেদন

এক পলকে তোমায় নিয়ে ভাসতে থাকি কাগজের নৌকায়, আর এক ঘুমের পরে মৃত দেশের হাড় ধুলো হয়ে যায়, দৈত্য দানব আগুন রাতে

কবিতা২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫