
নিয়তি
দুপুরের বিপরীত মেঘের হুইসেল বেজেছে আজ
স্মৃতি জমেছে—পাখি ও প্রার্থনার মতো।
নিঃসঙ্গ কেবিন আর শাদা আলোর ভেতরে
নিয়তির অন্ধকার ঘন হয়ে এলো আরও
কোথাও জীবন অবমাননা করেছে নিজেকে।
তুমি প্রতীক্ষার পরকাষ্ঠা হয়েছিলে এতদিন
অথচ ভাবনার ঝঞ্জাট পেরোতেই পিছিয়ে পড়েছি।
একদিনের আয়ুতে বেড়ে ওঠা ফুল
তোমার কাছে পৌঁছতে দেয়নি এতকাল!
নির্ভুল মিথ্যার গলায় ঝুলে থেকেছে প্রতিবার
তবু নিজের কাছে—অন্তিমে নির্বাসিত চিরদিন।
__________
জিজ্ঞাসাবাদ
অনিবার্য আঁধার বাড়িয়েছে ভাবনার বাচালতা
ভুলে যাবার মতো নেই কোনো পুরোনো অভ্যাস।
চোখ মেললেই দেখি কেবল মানুষের ভীড়
কোথাও সংঘাতে কোথাও সংগ্রামে তারা।
ব্রহ্মাণ্ডের কোথাও আলো নেই
কোনো নিবিড়তা নেই—সন্ধ্যা তারাটির মতো!
এবার ফিরে যাবো তাৎপর্যহীন স্বপ্নের কাছে
যতটা আশ্রয়ে বেড়ে উঠেছে সবুজের ছাপাখানা;
নিয়ম করে ফিরে যাবো শৈশবের জিজ্ঞাসাবাদে।
ব্যাকুল প্রেমে জেগেছিল হৃদয়ের প্রতিবাদ
জীবন শোভিত ছিল যে নারীটির হাতছানি পেয়ে
একদিন সূর্যাস্তের মতো—হারিয়ে গেছে সে।
কোথাও তবু নিজেই রেখেছি মিথ্যে সান্ত্বনা
ভবিতব্যের নামে আজও আমি—অন্ধ পরিব্রাজক।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,