১১ অক্টোবর, ২০২৬
যখন রাত্রি নামলো

হাতের পাতায় রাত ঘনালো, বারান্দাতে একা
উঠে যে যাবো অন্যকোথাও এমনটা কেউ নেই
বসে আছি তারা খসা দেখছি উঠোন জুড়ে
পায়ের নিচে শিকড় জন্মালো ডাকলো না কেউ
এমন বহু রাতে। স্বপ্ন কোথাও নেই বলে আজ
হাঁটতে গেছি ভুলে। হাঁটতে গেছি ভুলে?
চাঁদ উঠলো যখন আমার শূন্য বনস্থলী
চিঠিরা নেই, ডাকে না কেউ ঘরের ভিতর থেকে
আজানুকেশ মেঘের মতো তারায় তারায় ভাসে
কে যেন আসবে কথা ছিল, সেও কি ভুলে গেছে?
বড়ো ব্যাপক রাত্রি হলো আঁধার চারপাশে
অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামে বুকের অলিন্দতে।
( শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের "যখন বৃষ্টি নামলো" র অনুসরণে শ্রদ্ধার্ঘ্য। )
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেন
কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?
কবিতা৭ মে, ২০২৪

জ্যোতির্ময় বিশ্বাস
দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব
কবিতা৭ মে, ২০২৪

শ্রী সদ্যোজাত
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,
কবিতা৭ মে, ২০২৪