
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয়
হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই
তুমি অবাক হবে
ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে
তোমার চারপাশে অভাবের এক সুবিশাল হিমালয়
মাথার ওপর ছাদ নেই
পেটে দু-মুঠো ভাত নেই
আদর করে জড়িয়ে ধরার মতো মা নেই
শক্ত হাতে আগামীর পথে
এগিয়ে দেওয়ার মতো বাবা নেই
এমনকি কোনো এক বীতশ্রদ্ধ বর্তমানে
তাজা হাওয়ায় মতো নেই সৌখিন শৈশবের স্মৃতি
অথচ তোমার এই হাহাকারের ভিড়ে
এক পরম মুক্তি লুকিয়ে আছে
তোমার কোনো জাত নেই
তোমার কপালে কোনো ধর্মের দাগ নেই
মনুষ্যত্বের মিছিলে তুমি কোনো গোষ্ঠীর প্রতিনিধি নও
তুমি শুধুমাত্র মানুষ
জন্ম মুহূর্তে দাগিয়ে দেওয়া মোহরের ঋণ
তোমাকে মানবতার বলি দিয়ে শোধ করতে হয় না
আমাদের হয়
আমরা সব পেয়েছির সমাজে
সুখী ও সুরক্ষিত জীবনের বিনিময়ে
কেবলমাত্র মানুষ হতে পারিনা
অদৃশ্য তাই অমোচনীয় সেই জন্মদাগ
আমাদের কোনোদিনই শুধুমাত্র মানুষ হতে দেয় না
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,