
১.
আলো দেখা
হেরে গেল
আলো জ্বালানোর কাছে
হেরো আলো
আর বিজয়ী আগুন
আমার সঙ্গেই থাকে
মাথা কোটে
মাথা কাটে
দূরে আবার আলো
দাউদাউ
জানলা দিয়ে দেখলে মনে হয়
আলো আর আগুন
দূরে থাকলেই ভাল
ভাল একটা দৃশ্য,বেশ ভাল
দৃশ্যে কিছু পুড়লেও গন্ধ পাওয়া যায় না
…
২.
বৃষ্টি,পড়ে পাওয়া
পরিনি বলে বৃষ্টি রিমঝিম নয়, ছপছপ
হাতায় কী কাজ, মেঘ বৃষ্টি নামিয়ে দিল পুট
স্লিভলেস
প'ড়ে পাওয়া বৃষ্টি
কী যেন ছিল বৃষ্টির ভাল নাম
আমার একটা বর্ষাতি ছিল
কালো
নামে কি আসে যায়
বর্ষাতির গায়ে
পড়বে
পিছলে যাবে বৃষ্টি
আমি রবারসোলের জুতো পরে ফলো করব
পড়ছে যখন
একটা বাড়ি এল
আড়মোড়া ভাঙার আদলে খু্লে গেল দরজা
বৃষ্টি শেষ
ছবি তুললাম,ভেসে গেল ‘নেগেটিভ’-এর দিন….
…
৩.
নীরব
রং হল
ঘর করে
বাসিন্দা হয়ে
কী এক রঙে
হেলান দিয়ে
নীরব শুধু রং
একটা বারান্দা
কয়েকটা জানলা
জিভ-ছেঁড়া নীরবতা
কাশফুল আর রেললাইনের সম্পর্কে
হাওয়া
ও স্তিমিত রং
হল কি হল না
একটা রাত
কালচে হাহাকার
ছুঁয়ে ছুঁয়ে চলে যাওয়া….
…
৪.
বুলেট লাগা আর না-লাগার দুনিয়ায়
পাখি আর তার নরম মাংস
নরম মাংসের স্বাদ নিতে নিতে মনে হয়
কাল আবার ভোর হবে
হয়ত গান গাইবে আর একটা পাখি
আমরা সেদ্ধ মাংসের দিকে তাকিয়ে
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,