
এগোতে এগোতে একটি গোলাকার বৃত্ত চোখে পড়ে
সদ্য আঁকা সাদাখাতায় তারপর জ্যামিতি বাক্স থেকে
তরাক করে দাঁড়ায় বৃত্ত-আঁকা কম্পাস যেন মার্শাল
রবার-পেন্সিল হতবাক যেন SIR থেকে নাম-কাটা ভোটার
পারিবারিক জ্যামিতি বাক্স একমাত্র সাক্ষী… স্যার
মায়ের পুরনো শাড়ি থেকে তৈরি কাঁথায় নক্ষত্র পাড়া
অক্ষয়ের সীমানা ঘেঁষে বাঁশবনে থালা-সমান চাঁদ ওঠে
তিনপুরুষের বসত তেল চকচকে কাঁঠালকাঠের পিঁড়ি
চোদ্দগুষ্টির ছাপ পড়ে আছে যেমনতেমন প্রত্যয়ে…স্যার
ভাঙা কম্পাসের অদৃষ্ট ব্যাস-ব্যাসার্ধ বৃত্তে গুলিয়ে গেছে
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,