
মুঠো ছুরি খুলছে। পর্দার নানা ব্যবহার। ততো স্বচ্ছ নয় জেনে শিকারীরা ক্ষমা থামিয়ে দেয়। এক লুপ্তপ্রায় গান তোমায় আগুন চেনায়। উঠোনরঙা চাঁদ আকাশে অথচ তোমার কোনও স্বেচ্চাসেবক নেই। নির্মাণ বিনির্মাণের ভেতর তোমার জাতক চলে গেছে। ঈশ্বর মাখতে চেয়ে তুমি সুন্দর রাখতে পারছো না কোথাও। খুব দামী সাবানেও সিঁড়ির অঙ্ক থেমে থাকে যেভাবে। ময়লা জমানো এই প্রতিবাদ তুমি কোথায় রাখবে? ব্যবহারযোগ্য শোকসভায় ফুলের দায়িত্ব তুমি ফেরাবে কিভাবে?
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,