
শবমুখ আমার দিকে এমন তাকিয়েছিল শোকযাত্রার মাঝখানে
যে তৎক্ষণাৎ প্রতিদ্বন্দ্বীতার উচ্চকিত খেলায় না নেমে
বাড়ি ফিরে এলাম আমি।
বাড়ি না ফিরে কী করা যেত? মেঠোপথে ঘাস, শিশিরভেজা,
জড়ানো আলোর তন্তুজালে।
বাতাসে বিচূর্ণ শব্দ শত বছরের শত পোড়া অরণ্যের--
আর মনে করা হতো ঐতহ্যবাহী স্ফটিক দেয়াল নিশ্ছিদ্র,
স্নায়ুতাপহীন।
আমার হাতে আপেল, কি বলো এ তো আপেল!
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,