১৪ অক্টোবর, ২০২৬
শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা

   সালোকসংশ্লেষ

 

   যখন বাকস্মৃতি নেই 

  প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে 

  সালোক সংশ্লেষের শেষে 

  বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও 

 চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি 

 তরবারি স্থগিত রেখেছো 

চাঁদ পরিসেবার দিকে ফিরিয়ে দিয়েছো অক্ষত

ঝড়বৃষ্টির আদর তোমার অজানা নয়

চুলের ডালপালায় ছড়ানো ছিটানো মুঠোঘুম

আমি শরীর হতে হতেও থেমে গেছি

পালকের দায়িত্ব ছেড়ে উড়ে গেছে অনন্ত হাঁসেরা

____________

 

নামপুরাণ

টেবিলে ভুট্টা খসার শব্দ হলো

  তুমি কি টের পেলে বেগানা আগুন? 

  দড়ি কলসী ও সমবায়িকার এই অতিভূজ

 এই আনকোরা ঘুমের খাতা 

  সবই তো উঁচুনীচু

  সবই তো নামপুরাণ

 

দীর্ঘ পোশাকের দিকে চলে যাও 

যা ভাঙলে তোমার চাদরে

স্বপ্নের দাগ থেকে যাবে 

যা ভাবলে শরীর তফাৎ করে ছায়া 

রেখায় সমুদ্র আসে 

টিপ পড়ে 

খুশী খুশী হয় 

চাঁদের ছলাৎ এ দুলতে থাকা ঘরবাড়ির নাচ

__________________

আতরজন্ম

হয়তো বন্ধু নই, হয়তো হারানো রাখতে পারিনি কোথাও, এই দানাদানা অভ্যেস, আতরজন্মের ভীড়, আমি মুক্তিকে মুক্ত করেছি, সূচফোটানো ছায়ায় আর অঙ্কের ঘোর কেটে গেছে। 

       খাপছাড়া তদন্তের দিকে সারাবেলা বেড়িয়ে পড়েছে, আমার মানুষ পায়, হাঘরে ঘরের কাছে আমার সিন্দুক মুছে গেছে। চাবি থেকে নাম ঝরে, চাবি থেকে দূর্গ খসে যায়।

_______ 

 

সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
ওয়াহিদার হোসেন

কয়েকটি কবিতা

সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

কবিতা৭ মে, ২০২৪
দুটি কবিতা
জ্যোতির্ময় বিশ্বাস

দুটি কবিতা

একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

কবিতা৭ মে, ২০২৪
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
শ্রী সদ্যোজাত

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......

ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,

কবিতা৭ মে, ২০২৪