
তুমি এসে আচানক
স্পর্শ দিলে ঠোঁট প্রদেশে,
দেহ মানচিত্রের অলিতে-গলিতে...!
তারপর ঝড় বইলো
পা থেকে মাথা অবধি।
প্রতিটি রোমকূপের গোড়ায়,
শিরা-উপশিরায়, রন্ধ্রে রন্ধ্রে
স্পর্শের নান্দনিক ছোঁয়ায়
যেন দাউদাউ করে জ্বলে উঠল
অদাহ্য আগুনের লেলিহান শিখা
পিপাসায় কাতরাতে কাতরাতে
লবণ সমুদ্রে ডুব দিলাম...
ডুব দিতেই থাকলাম...
দিতেই থাকলাম!
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,