১১ অক্টোবর, ২০২৬
এক সূত্রে বাঁধা

সন্ধ্যেবেলা রাস্তায় পা রাখতেই
একটি খরগোশ ছুটে পালিয়ে গেল—
ভ্যাট থেকে মুখ তুলে তাকায় কুকুর ছানা,
পাগলের হাতে ঢিল,
রেল কামরায় গাদাগাদি,
চুমকির ঘরে বাবু, ফোয়ারা,
চুড়িদার ভাসে হাঁটু জলে,
পড়াশুনা করে এগারো বছর,
টিউশনি করে সাতাশ,
এসউভি থামে খারাপ পাড়ায়,
ধান গম হাতে দাঁড়ায় জাতিস্মর,
মোবাইল ছুড়ে ভেঙে ফেলেছে মেয়েটা,
নীল ছবিতে ভিজে গেছে শ্রাবণ মাস,
কচুরিপানার ঠিকানায় চিঠি আসে,
ঠিকানা আর আশ্রয়ের মাঝে নরক,
তারপরের স্টেশন চুমকির বাড়ির,
ঘরের মধ্যে চুমকির মায়ের কঙ্কাল,
প্রেসার কুকারের সিটি সঙ্গীহীন,
বাসি ফিস ফ্রাই-এর ওপর মাছি,
ঘরের দেওয়ালে ঠাকুমার ছবি,
কচুপাতার পাশে ধুতুরা ফল,
চুড়িদার ভাসে হাঁটু জলে।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেন
কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?
কবিতা৭ মে, ২০২৪

জ্যোতির্ময় বিশ্বাস
দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব
কবিতা৭ মে, ২০২৪

শ্রী সদ্যোজাত
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,
কবিতা৭ মে, ২০২৪