১৩ অক্টোবর, ২০২৬
রাদ আহমদের তিনটি কবিতা
রাদ আহমদের তিনটি কবিতা

 

 

বিচিত্রতার মধ্যে দিলাম

 

বিচিত্রতার মধ্যে দিলাম ছোট্ট লাউ পাতা

আঁশযুক্ত সে নবীন এবং প্রবল ব্যঞ্জনায়

তিরতির করে সাদা রোদে কাঁপা সাজানো শহরে

একটু জ্যামিতি করতে পারলে সম্ভাবনা ফোটে

 

মনে হয় চুলের চিকন ছোট্ট গুচ্ছ যা

কপালের গায়ে লতানো লতায় ছোট পাতা হয়ে ফোটে

এই যে দেখ কী সহজেই তুমি রূপকথা দিয়ে আবিষ্ট

মহসিন রোড রূপবান নিয়ে রাস্তায় এসে পড়ে

 

যাবতীয় যত নৌকাবাইচ গাবতলী বরাবর

তোমাকে মনে হতেছে শীতল কালো-বন্দুকে-নল

সাভারমুখীন তাক করে রাখা পিস্তল আর ট্যাক্সি

পিছনের সিটে গিঁটে গিঁটে বাঁধা ছোট্ট রঙিন ফুল

 

আর্টিফিশিয়াল চামড়ার সিটে মাথা ঝুঁকে রাখা খবরদার

ড্রাইভার যেন দেখতে না পায় বিশ শতকের এক্সপেরিমেন্ট

অনেক নিরীক্ষার শেষে এসে ব্রণের খয়েরি মুখ

তোমাকে দিলাম দুপুরবেলার গহীন শীতল অসুখ

 

__________

 

 

জুলকারনাইন

 

শেফালি ফুলের স্তূপের নিচে জমা দিয়ে আসা জুলকারনাইন

এবং শতচ্ছিন্ন যা কিছু চিন্তার সুতলি

ঝুলতে থাকা 'অমোঘ' তার চেহারাটা

 

'অমেঘ' নীলাকাশে শরতে বর্ষার গান

শোনা হলো সঙ্গীত শিক্ষালয়ের একটা ইউটিউব ভিত্তিক

চ্যানেলে কেবল ঐ যে আমরা ছোটোকালে

 

কাগজ কেটে হাতে হাত ধরে থাকা মানব ফিগার 

মানবী ফিগার স্কার্ট পরেছে

জুতার ফিতা বেঁধে নিয়ে স্কেটিং করার জুতা পরেছে এবং ইতিহাসের মিহিন

 

ধুলার নিচে জুলকারনাইন

অনেক সীমানা পেরিয়ে আসা রাজ্য জয়

করতে হলে একটা মিহিন কয়েনের গায়ে জুলকারনাইন

 

____________

 

অথবা/কিন্তু/কি জাতীয় কবিতা

 

তোমার ইগো মনে হতেছে কাঠের টুল

তাহার গায়ে বিচি দুখানা প্রদর্শিত

এমন এক মানুষ যিনি ডিম বিক্রি করে আর

দূস্থ ঋণী মহিলারা যে আবেগ নিয়ে আহত হয়ে

শীর্ণ হাত পাততে থাকে সময় খুব নিজের তালে

চলতে থাকে এ অযুহাত আমাকে দিল ইউ এফ ও

থেকে উদগত এলিয়েন, ইংরেজিতে বচন দিয়ে

মেধাবি ঘেয়ো সকালবেলা গুচ্ছ হলে এক তোড়া স

কাল বেলারা দুরের গায়ে ডিম বিক্রিকারীর মতো

শীর্ণ শার্ট পরিহিত লোকের গায়ে

সূক্ষ্ম সট্রাইপ আমি তো কিছু বলিনা একারণে যে

মহিলারা খুব চিকনশীল ও লাবণ্য ঝরা উঁহারা

চিকনশীল যেহেতু হলো আমার হাতের পাতা সর্বদা মা

ধুকর হলো ভিক্ষুক বলি সোজা ভাষা যখন সদা সর্বদা

বিরল মেটে রঙে দুপুরবেলা হলো

 

সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
ওয়াহিদার হোসেন

কয়েকটি কবিতা

সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

কবিতা৭ মে, ২০২৪
দুটি কবিতা
জ্যোতির্ময় বিশ্বাস

দুটি কবিতা

একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

কবিতা৭ মে, ২০২৪
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
শ্রী সদ্যোজাত

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......

ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,

কবিতা৭ মে, ২০২৪